‘জুলাই-আগস্টের রপ্তানি বাণিজ্যে রেমিট্যান্সের মতোই রেকর্ড হবে’

টাইফুনে ডুবলো জাপানি জাহাজ, নিখোঁজ ৪২ নাবিক

করোনাভাইরাসের প্রভাবে সব কিছু থমকে থাকলেও রেমিট্যান্সে একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে। চলতি বছরের জুলাই ও আগস্টে গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। রেমিট্যান্সের এই প্রবৃদ্ধিকে অবিশ্বাস্য ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, গত বছরের তুলনায় ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অবিশ্বাস্য ঘটনা।
বুধবার জুম অ্যাপসের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি জুলাই-আগস্টে রপ্তানি বাণিজ্যে একই রকমভাবে ঐতিহাসিক রেকর্ড সৃষ্টি হবে বলে মন্তব্য করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ৫০ শতাংশ। গত বছর ছিল রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আয়ের বছর। গত বছর ১৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের তুলায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি, এটা অবিশ্বাস্য একটা ঘটনা। ছয় মাসে যেটা পেতাম, দুই মাসেই সেটা এসে গেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আয় হয় তার পুরোটাই বৈধ পথে দেশে আসুক। সে জন্য আমরা দুটি কাজ করি। একটি হচ্ছে, রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিয়েছি। রেমিট্যান্স বাড়ার বিষয়ে এই প্রণোদনা কাজ করেছে। আর দ্বিতীটি হচ্ছে, আগে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোটা ছিল অনেক জটিল। অনেক প্রশ্ন করা হতো, এখন এগুলো সহজ করে দিয়েছি। গত এক বছর যাদের রেমিট্যান্স এসেছে কাউকে প্রশ্ন করা হয়নি। কারো রেমিট্যান্স মার যায়নি। সে জন্যই এত রেমিট্যান্স রেড়েছে।’

প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠান। কোনো না কোনো দিন এর সুফল আপনারা পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁদেরকে (প্রবাসী) আমি ধন্যবাদ জানাই।’

রপ্তানি বাণিজ্য ভালো হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমাদের অভ্যন্তরীণ রিসোর্স অনেক বেশি। সেগুলোকে আমরা কখনো মূল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে পারিনি। মূল অর্থনীতিতে তাদের আমরা কম পেয়েছি। এখন আস্তে আস্তে তাদের মূল স্রোতধারায় নিয়ে আসছি। এতে অর্থনীতিতে গতিশীলতা আরো অনেক বাড়বে। গত দুই মাসে রেমিট্যান্স যেভাবে ওপরের দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তেমনিভাবে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড সৃষ্টি হবে জুলাই-আগস্টের রপ্তানি বাণিজ্যে।’

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY